Blog
পিয়াংকী

পিয়াংকীর কবিতা
একটি পজিটিভ এলিজি বিলুপ্ত কৃষ্ণদ্বাদশী জানে… বরাবরই তুমি আলেয়া চেয়েছ। ভাটির দিকে ফিরিয়ে দিয়েছ বিকৃত আঙুল লোকলজ্জার ভয়। গোড়ালি ভেজানো জলে ফেলেছ দু’ফোঁটা হাহাকার ফেরীঘাটের জেটিতে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা গুনে গুনে তুলেছে আদিম বলাৎকার যাদের ঘরে জ্বলেছিল উনুন, তারা জানে না বিলাসবহুল এলিজির সংজ্ঞা পোড়া মাটির কলসীতে রাক্ষস ঢুকে ছিন্নভিন্ন করেছিল তাদের স্তনের কুঁড়িতে ফোটা সাদা শালুক ঢিলেঢালা আলখাল্লা পরে দুই বিনুনির ভেতর পুঁতে দিয়েছিল সহজলোহা সময় মেপেছে দাঁড়িপাল্লার জ্বর উষ্ণ ঠোঁটে এখন চিলের হতাশা কার্তুজে ফুটো হওয়া ঘুলঘুলি। প্রতিটিতে অদৃশ্য সন্ত্রাস মাঝির পোশাকে মাছ, অচেনা সরিসৃপ তবু গোধূলির অছিলায় রাখাল বালক স্নান সেরে নেয় মাঝগঙ্গায় তাঁর গলায় ঝোলানো আছে প্রজাপতি-সভ্যতা …এখন সেখানে উপনিবেশ তোমার, দু’চার দাঁড়কাক আর একবুক জল স্নানঘরে ধুয়ে যাচ্ছে নীলপাপগ্রহ ভিতরকার দানবের প্রায়শ্চিত্ত, রঙিন অ্যাকোয়ারিয়াম জন্মান্তর নয়– এই মুহূর্ত থেকেই তোমার শরীরে ধারণ করো জোঁকের শাঁখ |
Related Posts
ভুল স্বর্গ
গল্প - ভুল স্বর্গ
লেখক - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গল্পপাঠ করছে - পলাশ দে
বেহাগ
গল্প- বেহাগ
লেখক - সৌভিক গুহ সরকার
গল্পপাঠ করছে - পলাশ দে
রন্ধনশালা
গল্প- রন্ধনশালা
লেখক - বাসুদেব দাশগুপ্ত
পাঠ করছে - পলাশ দে
সম্পাদকীয়
গত কয়েক বছরে কত শিল্পীকেই না হারালো বাংলা ভাষা। কতবার অনুতাপ করেছি আমরা। কতবার বিস্ময়ে হতচকিত হয়েছি। স্তব্ধ হয়েছি অবাধ স্মৃতিগুলির সৌধ হয়ে ওঠায়।
পল্লব গঙ্গোপাধ্যায়
"পাথরের ফুল" ---ধ্রুপদি অথচ স্বতন্ত্র এক নির্মাণ
একটা এলিজি বা শোক-গাথা বা শোক-কবিতা কেন লেখা হয়? অবদমিত শোকের ক্যাথারসিস? শিল্পশীলিত পথে অবরুদ্ধ বিষাদের শান্তায়ন? মৃত্যুর অনিবার্যতাকে মেনে নিয়ে এবং দুঃখবোধের সংপৃক্তিকে স্পর্শ করে অবশেষে প্রাণের উজ্জীবন? নাকি ব্যক্তিগত শোককে আশ্রয় করে বৃহত্তর এক সর্বজনীন দুঃখের আবহকে ছুঁতে চাওয়ার চেষ্টা করা? হয়তো এককথায় উত্তর হওয়া উচিত এলিজির উদ্দিষ্ট একসাথে সবগুলোই।
অবন্তিকা পাল
এলিজি
এত অহমিকা এত আয়োজন
হাহা চিৎকারে ওই ওরা যায়
মিছিল তো নয় সারি সারি মাথা
ক্ষমতার পায়ে সব অবনত
অর্ঘ্য রায়চৌধুরী
শঙ্খ ঘোষ : শ্রদ্ধাভাজনেষু
কে শেখাবে এরপর প্রান্তরে
দুলে ওঠা শষ্যের ভাষা
কে দেখাবে অন্ধকারের বুকে
অমিত চক্রবর্তী
সে এখন মৃত্যু নিয়ে নিরাপদ, নিশ্চিন্ত
ছবিটা পাঠিয়েছিল সে অ্যালবাম থেকে ছিঁড়ে—
চারদিকে তখন বরফের আস্তরণ, কথাগুলি
ঢাকা পড়ে যায় অসঙ্গতির মোহে। ফাঁক ফোকর থেকে
আমরা তখন দুরাশা কুড়িয়ে বেড়াই। কেঁপেছিল কি হাত তার
অরুণ কুমার দাঁ
ধূপের দীর্ঘশ্বাস
প'ড়ে আছে অক্ষর, তুমি নেই!
শব্দ খোঁজে তোমাকে
সারাদিন কেঁদে যাচ্ছে, শ্রাবণ মেঘ
বিদিশা সরকার
এলিজি
শুধু দূর ভাবি, কতদূর? কতদূর গেলে তবে
লেভেল ক্রসিঙে থামা দুরন্ত রাত
কোন সিগন্যালে থেমে গেছ, বাইরে জোনাকি রাত
চিরশ্রী দেবনাথ
কবিপত্নী
শহরে স্মরণসভা, ব্যথাকাতরতা
সেই স্মরণসভায় স্ত্রীদের যেতে নেই
কেউ এসে বলবে কবি তার খুব কাছের ছিল,
দেবাশিস ঘোষ
দিদিমাকে
তোমার সর্বহারা কাঁথায় রেখেছ হিরের মতো দুঃখী আমাকে
বলেছ ব্যাঙের কথা বিধবার একটিই ধন,
কুমীর থেকে ফের মানুষ না হতে পারা নদের চাঁদ