Chithipotro
আফছানা খানম অথৈ
আমার একগুচ্ছ রজনী গন্ধার সুবাসমাখা ভালোবাসা আর শশীর মায়া মাখা তারই মতো আমার হৃদয়ের উদীয়মান আকাশে পরিপূর্ণ সমস্ত সুগন্ধী ফুলের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা নিও।আশা করি ভালো আছ।
অন্তরা সরকার
অনেকদিন ধরেই ভাবছি তোমাকে একটা চিঠি লিখি।ছোট ছোট মেসেজ নয় একটা বড়ো চিঠি।তুমি সেদিন বললে আমি নাকি আমার কথা তোমাকে কিছুই বলিনা।কিন্তু জানো,আমার বলার চেয়ে শুনতেই বেশি ভালো লাগে।
সুপ্রিয়া মণ্ডল
কেমন আছো আর জিজ্ঞাসা করছি না, সেই অধিকার হারিয়ে ফেলেছি। যেখানে আছো আশা করি ভালোই আছো। বিগত পাঁচ বছরে তোমার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি, আর যে কোনোদিন হবে এই ধারণাও পোষণ করি না।
সুমনা দত্ত
এক আকাশ ভালোবাসা জেনো। বাহ্যিক যোগাযোগ না থাকলেও তো কিছু সম্পর্ক থেকেই যায় মনের গহনে । ধীরে ধীরে সে টানও হয়তো গভীরতর হয়। তুমি হয়তো অবাক হচ্ছো। তোমাকে আর কি বলে সম্বোধন করব বল !
শম্পা চক্রবর্তী
আমি সাবর্ণী সেন; আমি যদি আমার জীবন চরিত লিখতাম -তবে হলফ করে বলতে পারতাম ,আমায় পাবেনা কেউ আমার জীবন চরিতে। তাই পাঠকের দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আমার স্বীকারোক্তি স্বরূপ এই চিঠি লিখে জানান দিলাম।মফস্বলের মেয়ে ছিলাম :ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছিলাম অত্যন্ত সুন্দরী আমি, কৈশোরে অবতীর্ণ হয়ে আমি নিজের সৌন্দর্যে মোহিত ছিলাম।
সীমা ব্যানার্জ্জী-রায়
কেমন আছো মা? আমরা ভালো আছি, আশা করি তুমি ও বাবা ভালো আছো। তোমাকে তাড়াতাড়ি পত্র দিই নি বলে হাজার বার ক্ষমা চাইছি।
শাশ্বতী মুন্সী
আমার বাপেরবাড়ির মালিকানা বদল হয়ে গেছে প্রোমোটারের হাতে। সাবেক আমলের দোতলা বাড়ি ভেঙে বহুতল বিল্ডিং হবে। শেষ বারের মতো জন্ম ভিটেকে দেখতে এসেছি। সারা এঘর ওঘর ঘুরে ঘুরে দেখতে তিন তলার ছাদে উঠলাম। আয়তকার ছাদের বাঁদিকে দু ধাপ সিঁড়ি চাতাল পেরিয়ে ঠাকুর ঘর। দরজা খুলে ঢুকি।
শম্পা রায়
আজ অনেকদিন পর আবার চিঠি লিখতে বসলাম ৷জানিনা কিভাবে শুরু করব৷ শুধু জানি রোজকার চেনা মুখের ভিড়ে, মেকি সম্পরক গুলোর ওপারে এক অচেনা মানুষকে, বন্ধু করে নেওয়ার অছিলায়ে এ চিঠি লিখতে বসার আয়োজন।বন্ধু শব্দটা খুব ছোট্ট।যেন মনে হয় ইচ্ছা করলেই তাকে হাতের মুঠোয়ে দিব্বি ধরে ফেলা যায়।
ঐশীপ্রমা ভৌমিক
বৃষ্টিটা একটু ধরেছে। অনেকক্ষণ ধরেই ছাতারে দুটো ভিজছিল । এখন পালিয়েছে । মেঘ একটু কাটতেই আবার একঘেয়ে দুপুর । কতদিন দেখা নেই তোমার সাথে । চুপ করে তাকিয়ে আছি জমা জলটার দিকে । নীল আকাশের ছায়া আলতো হয়ে দুলছে সেখানে । রাত পেরোতেই কামিনীর পাঁপড়িগুলো আলগা হয়েছে ।
মানস কুমার মন্ডল
ভালো আছো নিশ্চয়ই। চাকরিসূত্রে এখন তুমি আমাদের থেকে অনেকটাই দূরে। কিন্তু আমার তা মনে হয় না। মনে হয় আগের মতই যেন তুমি কাছেই আছো। আমার মনের আশা-আকাঙ্খা, ভালোলাগা, ক্ষোভ-বিক্ষোভ, তোমাকে না জানিয়ে যেমন থাকতে পারতাম না, এখনও তাই। পার্থক্য একটাই, তখন তোমার সামনে বসে, নিজের মুখে জানাতাম, আর এখন চিঠি লিখে। আমাদের পাশের বাড়িতেই তোমরা থাকতে। আমাদের হতদরিদ্র অবস্থার কথাও তুমি ভালো করেই জানো।