Blog
জয়ন্ত শীল
ভালোবাসা,কৃতজ্ঞতা ও বিশ্বাস পূর্ণ হৃদয় আজ তোমাকে এই পত্রখানি লিখিতেছি। তোমার প্রতি পত্র লিখিব তাহাতে কোন স্বার্থ থাকা উচিত নয়, কারণে-অকারণে তোমাকে পত্র লেখাই যায়। ইতিপূর্বে কখনো তোমার প্রতি পত্র লিখি নাই বা লেখার সৌভাগ্য হইয়া ওঠে নাই।অদ্য হঠাৎ করিয়া তোমায় পত্র লিখিতে বসিয়াছি তাহার একটি কারণ অবশ্যই আছে।
ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়
জানো ? তোমার কথা আজ খুব মনে পড়ছে। নতুন বর্ষা, আকাশের মেঘমেদুরতার অনুষঙ্গে। এখন তখন বৃষ্টির ছিটেফোঁটা গায়ে এসে পড়লেই মনে পড়ছে তোমার সঙ্গে প্রথম বৃষ্টি দেখার কথা। দুজনের স্বাধীনভাবে বৃষ্টিতে বিচরণের মুহূর্তগুলো তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে আজ আমায়। কেন সেদিন কাজে মন দিলাম না? কেন সেদিন বিস্মৃত হলাম শিবপুজোর জন্য আমার প্রভু কুবেরের বাগানের ফুল তুলতে ? তুমি তো ছিলেই, থাকতেই আমার সঙ্গে। বড় ভুল হয়ে গেল প্রিয়া। সেদিন শুনিনি তোমার বারণ।
সুদীপ হাজরা
সম্বোধনটা তোমার ঠিক মনঃপূত হলো না জানি, কিন্তু কী করব বলো? 'প্রিয়তম' বলেই যে একদিন ডেকেছিলাম তোমায়। আজ অবশ্য সে'সব দিনগুলো তোমার স্মৃতিতে এসে আর উত্যক্ত করে না তোমাকে। করবেই বা কী করে?
অমিত কুমার সাহা
কেমন আছো তুমি? এখানে আমরা বেশ ভালো আছি, আরও গুছিয়ে বলতে গেলে বলতে হয় ভালো থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি ক্রমাগত। প্রতি বছরের মতো এবারও"চির নূতনেরে ডাক" দিয়েছিল পঁচিশে বৈশাখ,মানে তোমার জন্মদিন।এখানে ওখানে কতই না জাঁকজমক, তোমার জন্মদিন পালনের;তবে বেশিরভাগই সকালে।
অয়ন অধিকারী
এই শহরের সব টা আলো নেভাও
বুকের উপর খামচে ধরো নখ ;
নিঃশ্বাসে আজ আবার আগুন জ্বালাও,
আদর শেষে শান্ত দুটো চোখ।
অভিষেক ঘোষ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সাহিত্যে তুমি ছিলে আশালতার ‘চোখের বালি’, কিন্তু পুরুষ চরিত্রদের চোখে তুমি প্রথমে পতঙ্গ, অনতিবিলম্বে বহ্নি! মানসলোকে তোমাকে স্পষ্ট দেখতে পাইনি কখনো, তবুও তোমাকে ‘বিনোদ’ বলে ডাকতে ভারী ইচ্ছে করে। মনে হয় তুমি যেন রবি ঠাকুরের ‘নিরূদ্দেশ যাত্রা’-র সেই নায়িকা।
জয়িতা সেনগুপ্ত
প্রাণের ছেলে মেয়েরা,
নিস্তব্ধ বট বৃক্ষের কাছে আজ আমি ভগ্ন প্রায় একাকী নিঃসঙ্গ নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে। সশব্দে গড়ে ওঠা দালান বাড়িগুলো আজ আমায় উপেক্ষার ছলে চেয়ে। পর্যটকের দল আমার নিঃশেষিত যৌবনের বার্ধক্য দশাকে সহাস্যে ক্যামেরার সম্মুখে বন্দী করে। উপহাস্য করে অনাবাসী। সমস্ত আবাসির হৃদয়ে আমার প্রতি সহৃদয়তা ছাড়া আর কিছুই নেই।
বাপ্পা প্রামানিক
প্রাণের ছেলে মেয়েরা,
নিস্তব্ধ বট বৃক্ষের কাছে আজ আমি ভগ্ন প্রায় একাকী নিঃসঙ্গ নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে। সশব্দে গড়ে ওঠা দালান বাড়িগুলো আজ আমায় উপেক্ষার ছলে চেয়ে। পর্যটকের দল আমার নিঃশেষিত যৌবনের বার্ধক্য দশাকে সহাস্যে ক্যামেরার সম্মুখে বন্দী করে। উপহাস্য করে অনাবাসী। সমস্ত আবাসির হৃদয়ে আমার প্রতি সহৃদয়তা ছাড়া আর কিছুই নেই।