Blog
দীপ শেখর চক্রবর্তী
একুশ দিন আগে কলোনির মোড়ে দেখলাম তোমাকে। ডাকিনি। একুশ দিন আগে মানে তেইশে জুলাই। সেদিন আমার বয়স ছিল একত্রিশ বছর তিন মাস আট দিন। এখন তিন মাস ঊনত্রিশ দিন। মনে পড়ে, সতেরো বছর বয়সে তোমার প্রেমে পড়েছিলাম। ভালোবাসতে বাসতে আরও তিনটি বছর। এক আশ্চর্য বালক ছিলে বটে।
গৌতম ঘোষ দস্তিদার
আজ তোমার জন্মদিন । পঁচাত্তর বছর আগের এমনই এক মাঝরাতে হঠাৎ আলোর ঝলকানিতে পাড়াপড়শি সবার ঘুম ভেঙে গিয়েছিলো । সূর্যকে আড়াল কোরে তুমি এলে যেন । সবাই নাকি সেদিন ভেবেছিলো – নোতুন কোনো তারকা বুঝি আলো নিয়ে এলো এক পশলা । সে কি সাংঘাতিক একটা উদ্দীপনার উদয় হোলো আকস্মিক । পূর্বপুরুষের কাছে কতো বারবার শুনেছি সে কাহিনী !
পিয়াংকী
প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছ, ওজনও তো দেখছি বেড়েছে বেশ। তোমার একান্ত নির্বাক ভরণপোষণ নিয়ে দীর্ঘ হয়েছি দুই বিনুনির সেই আমিও। মিহি যাতায়াত আর মিইয়ে যাওয়া প্রাচীন শব্দের ভেতর আজও অসংখ্য ফাঁকফোকর। সেখানে লুকিয়ে আছে বিগত জন্ম আর যাবতীয় ঋণমুকুব দস্তাবেজ।
শুভনীতা দে
মন, কেমন আছিস তুই, জানতে চাইব না। মূলত তিনটে বাহানায়। এক, তুই যাই বলিস ভাল কিংবা মন্দ, তার সত্যতা তলিয়ে দেখার সাহস আর আমার নেই। শুনেছি তুই এখন যা মুখে আসে তাই বানিয়ে বলতে শিখেছিস।
অভিষেক দত্ত
স্তা,
অনেকদিন পর লিখছি তোমায়।কেমন আছো? জানো আজ সকাল থেকেই আকাশের মুখভার।তোমার মতোই অভিমানী দেখছি আজ সে।নিরীহ একখানি রোদ্দুর আমাদের ঝুল বারান্দায় ছুটোছুটি করতে করতে হটাৎই মিলিয়ে গেল।
ডাঃ প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল
তোমার জন্য আজ আঁকছি সবুজপাতার মতো মনের সব জমানো কথাদের।অক্ষরে অক্ষরে গানে গানে আর রং তুলিতে যে ছবি আমরা আঁকার স্বপ্ন দেখতাম সেই সব কথাদের ব্যালকনির তাকে বেডরুমের নকশা করা বাক্সে খুব যত্ন করে গুছিয়ে রেখেছি,নিয়ম করে ধূলো ঝেড়ে ভালোবাসার স্নেহের পরশ দিয়ে হাত বুলিয়ে রাখি।
সমন্বিতা ঘোষ
জীবনের শেষ মুহূর্তটাতেও যে মানুষটার নৈকট্যে কাটাব ভেবেছিলাম সেই মানুষটাই আজ আমার থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে।নাঃ! কেবল স্থানিকভাবে নয় মানসিক ভাবেও।
জয়িতা ঘোষ হালদার
হ্যাঁ, তোমার নাম কোনোদিনই এভাবে মুখে উচ্চারণ করি নি। কিন্তু,আজ লিখলাম।তুমি হয়তো খুব আশ্চর্য হয়ে যাবে, জানি। তুমি নিশ্চয়ই আমাকে ভুলে যেতে পারো নি --- এ বিশ্বাস আমার আছে। হঠাৎ,প্রায় পনেরো বছর পর তোমাকে কেন চিঠি লিখছি তাই নিয়ে তো তুমি বেশ ধাঁধায় পড়ে গেছো এতক্ষণে!
রূপালী মান্না
বাইশে শ্রাবণ উপলক্ষ্যে কত কবি সাহিত্যিকরা তোমায় নিয়ে লেখালেখি করছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে তোমায় ঘিরে। এমনই এক বৃষ্টিমুখর শ্রাবণে চিঠি লিখতে বসলাম তোমায় ।
আশিস চক্রবর্তী
আমার প্রেরিত এই পত্র যক্ষ পুরীর মেঘের মতোই। বুনো প্রেমের বারি পূর্ন এই লেখনী ধারা , ধারণ করে আছে অপূর্ণ হৃদয়ের নির্ঝর। তাই শুরুতেই বলতে ইচ্ছে করে কবির ভাষায় , " তুমি তো জানো না কিছু , না জানিলে , -
আমার সমস্ত গান , তবুও তোমারে লক্ষ্য করেই ! "